View Message

Subject : সরকারি কালাচাঁদপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাতীয়করনে অর্ন্তভূক্তির জন্য আবেদন।

Avatar

Written By : Mohammed Omar Faruque

News: The Daily Kalerkonto and The Dainik Shiksha (25/11/2016) এ বছরই জাতীয়করণ হয়েছে রাজধানীর কালাচাঁদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ। কিন্তু ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর সবাই এর সুবিধা পাচ্ছেন না। কারণ তাঁদের ২৩ জনকে বাদ দিয়ে ৫৫ জনের চাকরি জাতীয়করণের চেষ্টা চলছে। চার মাস ধরে ওই ২৩ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ রেখেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সাত বছর চাকরি করার পর হঠাৎ এ দুর্গতির কারণে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁরা অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী এই প্রতিষ্ঠানকে সরকারি করার বিষয়ে সম্মতি দেন। অনুষঙ্গিক কাজ শেষে গত ৯ জুলাই সরকারীকরণের প্রজ্ঞাপন জারি হয়। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি দেওয়ার সময় ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৫৫ জন ছিলেন এমপিওভুক্ত। বাকি ২৩ জন—১৭ জন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী এমপিওভুক্ত ছিলেন না। তাঁদের চাকরি সরকারীকরণ থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ৫৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী ছিলেন প্যাটার্নভুক্ত। বাকিদের নিয়োগ দিয়েছেন নিজস্ব কর্তৃপক্ষ। তাঁদের প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে বেতন হতো। সরকারি হয়ে যাওয়ায় বিপদে পড়েছেন তাঁরা। স্কুলের শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, ‘আমাদের সকলেই প্রায় সাত বছর আগে নিয়োগ পেয়েছি। পড়ালেখা শেষ করে যখন এই স্কুলে ঢুকি তখন প্যাটার্ন বা নন-প্যাটার্ন আমরা বুঝতাম না। স্কুল সরকারি হওয়ায় আমাদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা কিভাবে চলব?’ তিনি বলেন, ‘অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পর প্যাটার্নের বাইরের শিক্ষকদের চাকরিও সরকারি হওয়ার নজির আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের চাকরিও যেন সরকারীকরণের ব্যবস্থা করা হয়।’ শাহনাজ পারভিন নামের একজন শিক্ষক বলেন, ‘জাতীয়করণের প্রজ্ঞাপন জারির পর আমাদের ক্লাস ও বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক হাজিরা খাতায়ও আমাদের স্বাক্ষর করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। সরকারীকরণের পর একদিকে সবাই আনন্দে ভাসছে, অন্যদিকে আমরা ২৩ জন দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি। চাকরি হারালে আমাদের বাঁচার কোনো উপায় থাকবে না।’ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. শামছুল হুদা বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণের পর সাধারণত প্যাটার্নভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিই সরকারি হয়। তার পরও আমরা পরিদর্শন প্রতিবেদনে প্যাটার্নের বাইরের শিক্ষকদের তথ্য সরকারের কাছে উপস্থাপন করি। বিধি মোতাবেক নিয়োগ হয়ে থাকলে তাঁদের কথাও বিবেচনা করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘কালাচাঁদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন প্রতিবেদন কিভাবে দেওয়া হয়েছে আমরা খোঁজ নেব। আমরা কখনোই চাই না, কেউ চাকরি হারাক।’ এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য কালাচাঁদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদকে বেশ কয়েকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের চাকরিও যেন সরকারীকরণের ব্যবস্থা করা হয়। http://www.dainikshiksha.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a9-%e0%a6%b6%e0%a6%bf/60084#sthash.oinftuty.dpuf