View Question 1594 views

Subject : ১০টি উন্নয়ণমূলক কাজ ও আগামী ২ বছরের উন্নয়ণ কর্মসূচী প্রসংগে!

Avatar

Written By : AmarMP Admin

মাননীয় এমপি মহোদয়,

আমারএমপি ডট কমের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা নিন। আমরা আপনার সংসদীয় এলাকার জনগনের পক্ষ থেকে আপনার মাধ্যমে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এরকম ১০টি উন্নয়ণমূলক কাজ এবং আপনার আগামী ২ বছরের উন্নয়ণ কর্মসূচী প্রসংগে জানতে চাই।

বিনীত,

আমার এমপি ডট কম কর্তৃপক্ষ।

Avatar

Written By : Mohd. Abdullah -মোঃ আবদুল্লাহ

Public

১# নদী ভাঙ্গন রোধে বিভিন্ন কার্যক্রমঃ আগ্রসী মেঘনার করাল গ্রাসে ভিটেমাটি হারিয়ে রামগতি-কমলনগরের মানুষগুলো যখন নিঃস্ব ও অসহায় সম্বলহীন অবস্থায় অন্যের পতিত জমিতে অথবা বেড়ীবাধের উপর কোন রকম বাঁচার আকুতি নিয়ে বসবাস করছেন, চোখে মুখে যখন শুধুই অন্ধকার আর অন্ধকার সেই মূহুর্তে রামগতি-কমলনগরবাসীর গর্বিত সন্তান দানবীর জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ (আল মামুন) মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার দৃঢ় ইস্পাত কঠিন সাহস নিয়ে নীজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন, সেই মুহুর্তে মেঘনার তান্ডবে ক্ষতবিক্ষত অসহায় মানুষগুলো পেল এক আলোর দিশা। ধুমকেতুর মতো আলোকচ্ছটা ছড়িয়ে সকলকে জানান দিল ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রধান অঙ্গীকার নদী ভাঙ্গন থেকে রামগতি ও কমলনগর বাসীর ভিটেমাটি রক্ষা করা। সেই মোতাবেক সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে শপথ গ্রহনের পর থেকেই নিরলসভাবে পরিশ্রম করে দাপ্তরিক কাজকর্ম দেখভাল করতে শুরু করেন এবং এক পর্যায়ে মাননীয় সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী ও প্রতি মন্ত্রীর একান্ত সহযোগীতা ও সর্বোপরি বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রদূত, দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুকম্পা ও মহানুভবতায় রামগতি ও কমরনগর উপজেলার মতির হাট থেকে বয়ার চর পর্যন্ত ৩৮ কি: মি: মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্পে ১৩৪৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমেদিত হয়। যার মধ্যে বিগত ০৫-০৮-২০১৪ইং তারিখ ১৯৮.০২ কোটি টাকার ব্যয় সম্বলিত নদীর তীর সংরক্ষন (১ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের পর কাজটির যথাযথ মান নিয়ন্ত্রন বাজায় রাখার স্বার্থে কারো কোন ভাবনার তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশ সেনাবহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী বাঁধ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য নিরলস ভাবে কাজ করেন। ফলশ্রুতিতে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ৫.৫০ কি: মি: নদী রক্ষা বাঁধের মধ্যে ৩.৫০ কি: মি: কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সঠিক মান বজায় রেখে কাজটি সম্পন্ন করার কারনে এবং সর্বোপরি আল্লাহর অশেষ রহমতে রামগতি উপজেলা সদর সহ ব্যাপক এলাকা নদী ভাঙ্গনের হাত হইতে রক্ষা পেয়েছে। বাকী ২.০০ কি: মি: নদী রক্ষা বাঁধের কাজ চলমান। এ দিকে রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডাকে ভাঙ্গন হতে রক্ষা কল্পে অতিরিক্ত প্রায় ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে এবং কাজ শ্রীঘ্রই শুরু হবে।
 
২# দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্প মেঘনার নদীর ভাঙ্গন থেকে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার অবশিষ্ট এলাকাকে রক্ষাকল্পে প্রায় ১৩ কি: মি: নদীসংরক্ষন বাঁধ নির্মানের লক্ষ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প ডিপিপি ভূক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি ডিপিপি ভূক্ত করে পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে একনেক বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মাননীয় সাংসদ জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপর দিকে একই বিষয়ের আলোকে ডেল্টা-২১০০ প্রকল্প নামে ৫৫০ কোটি টাকার অন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
৩# পর্যটন কেন্দ্র চিরায়ত বাংলার অনিন্দ্য-রূপ ও সৌন্দর্যকে ভিত্তি করে পর্যটন খাতের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভাবে দেশকে সমৃদ্ধ করার মানসে পর্যটন বহু মাত্রিকীকরণ ও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে মেঘনা নদী বিধৌত রামগতি ও কমলনগর উপজেলার উপকূলবর্তী মেঘনা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ শীর্ষক প্রকল্প ঘিরে মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবদুল্লাহ একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তা চেতনায় একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। যার ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ইকো-ট্যুরিজম বিশেষজ্ঞ ডাঃ আবু সাইদের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের নিমিত্তে প্রকল্প তৈরি সহ আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম করে যাচ্ছেন।
 
৪# অবকাঠামো উন্নয়ন ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইসতেহারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনবদলের সনদ হিসেবে রূপকল্প ২০২১ উপস্থাপনের পর থেকেই মূলত গ্রামীন যোগাযোগের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প সহায়ক অবকাঠামো নির্মানসহ শিক্ষার আধুনিকায়ন, কমিউনিটি ক্লিনিক পুরুজ্জীবন, গ্রামীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মানোন্নয়নসহ আরো অনেক কর্মসূচী বাংলাদেশকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ৪০ বছর পর রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে উভয় উপজেলার রাস্তাঘাট, ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মানে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন।
 
৫# সড়ক উন্নয়ন সড়ক উন্নয়নের উপরই নির্ভর করেন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন। পল্লী সড়ক উন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যপক বরাদ্দ প্রদান করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২০ কি: মি: পল্লীসড়ক নির্মান করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ কি: মি: সড়কের কাজ চলমান আছে। আগামী ২ বছরে আরো প্রায় ৩৫কি: মি: সড়ক নির্মিত হবে।
 
৬# সড়ক রক্ষানবেক্ষন সড়ক উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে নিয়মিতভাবে সড়ক রক্ষানাবেক্ষন করা প্রয়োজন। টেকসই সড়ক প্রামীন অর্থনীতে চাঙ্গা করা এবং একটি গতিশীল সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। একটি শক্তিশালী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে মাননীয় সাংসদ অদম্য গতিতে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সময় পর্যন্ত রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০২কি: মি: সড়ক রক্ষানাবেক্ষনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশিষ্ট সড়ক মেরামত ও রক্ষানাবেক্ষনের কাজ চলমান। এর মধ্যে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও রক্ষনাবেক্ষনের জন্য উভয় উপজেলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন তোরাবগঞ্জ জিসি-শান্তির হাট -হাজিগঞ্জ- বান্দের হাট চৌধুরী হাট-রামগতি বাজার পর্যন্ত সড়কটিও রয়েছে।
বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাবহিকতা রক্ষায় মাননীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ঘোষিত অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে এ পর্যন্ত ১৪ কোটি ব্যয়ে রামগতি কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন মেরামতের কাজপ্রায় শেষ। অবশিষ্ট অর্থের কাজ প্রক্রিয়াধীন।
জনগনের দীর্ঘ দিনের দাবী ও চাওয়া পাওয়ার প্রেক্ষিতে মাননীয় সাংসদ মোঃ আবদুল্লাহ ( আল-মামুন) এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সড়ক ও সেতু বিভাগের মাধ্যমে আলেকজান্ডার হইতে আজাদনগর পর্যন্ত রাস্তাটির মেরামত সম্পন্ন হয়েছে এবং এই রাস্তার উপরেই অবস্থিত চেউয়াখালী বেইলী ব্রীজটি অপসারণ করে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী পাকা ব্রীজ নির্মানের কাজ চলমান
 
৭# সেতু/কালভার্ট নির্মান মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবদুল্লাহ (আল মামুন) এর বদান্যতায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় কোটি৪০লক্ষ টাকা ব্যয়ে পর্যন্ত প্রায় ৪১ টি বড় ছোট সেতু/কালভার্ট নির্মান করা হয়েছে। যাহা জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এছাড়া আরো ৫টি সেতু/কালভার্ট টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আছে।
 
৮# এডিপি’র মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন বর্তমান মাননীয় সংসদ দায়িত্ব গ্রহনের পরে বিভিন্ন গ্রামীন অবকাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ৩.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২১০টি ছোট বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
 
৯# সিসিএপি’র (ডানিডা) মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে সিসিএপির মধ্যমে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ছোট বড় ৬৫ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
 
১০# বহুমূখী ঘূর্নীঝড় আশ্রয়ন কেন্দ্র মেঘনার উপকূলবর্তী রামগতি ও কমলনগর উপজেলার জনসাধারনকে ঝড় জলোচ্ছাস থেকে রক্ষা কল্পে উভয় উপজেলায় প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৭টি বহুমূখী ঘুর্নীঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মান করা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে ১১টি প্রকল্প ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে অবশিষ্ট ১৬টি বহুমূখী ঘুর্নিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
১১# ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন দূর্যোগ দূর্ঘটনায় জীবন ও সম্পদ রক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা এ শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় ৩কোটি ব্যয়ে একটি অত্যাধুনিক ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মান করা হয়েছে।
 
১২# পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন দূর্গম চরাঞ্চলের হানাহানি মারামারি রোধ কল্পে এবং জনগনের জানমাল রক্ষায় মাননীয় সংসদ সদস্য একান্ত চেষ্টায় রামগতি উপজেলার বয়ার চর ও চর আবদুল্লার পুলিশ ক্যাম্পদ ২টি কে আইসি ক্যাম্পে রূপান্তরিত করার প্রচেষ্টা প্রক্রিয়াধীন আছে। চর বসুতেও অনূরূপ একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
 
১৩# স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন যে জাতি যত বেশী শিক্ষিত, সেই জাতি ততবেশী উন্নত। এই মর্মবানীর ভিত্তিতে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন তরান্বিত করার মানষে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় একান্ত চিত্তে কাজ করে যাচ্ছেন। যার ঐকান্তিক সহযোগীতায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলার প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে উন্নয়নের আওতায় আনা হয়েছে।
 
১৪# প্রাইমারি স্কুল সকলের জন্য শিক্ষা এই শ্লোগানে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য প্রাথমিক স্তরের প্রতিষ্ঠান গুলোর উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহন করেন। এর মধ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ২৩কোটি ৭০লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩৫টি বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান করা হয়েছে এবং উভয় উপজেলায় ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ৭০লক্ষ টাকা ব্যয়ে মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন করা হয়। বর্তমানে ১৪টি বিদ্যালয়ের কাজ চলমান আছে এবং আগামী ২ বছরের মধ্যে আরো ৩১টি বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান ও সম্প্রসারন করা হবে। অপর দিকে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য রামগতি ও কমলনগরে প্রায় ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম ডিপিপি ভূক্ত করা হয়েছে। যাহা ২০১৯ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য রামগতি উপজেলার চর গাজী ইউনিয়নে ১টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
 
১৫# আনন্দ স্কুল বর্তমান সরকারের অনুসৃত নীতি মোতাবেক সমাজের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় আনয়নের লক্ষে সারা দেশেরমত রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় যথাক্রমে ৪৮ ও ৯৬টি আনন্দ স্কুল কেন্দ্র চালু করা হয়। এ সব কেন্দ্রে শিশুদের পাঠদানে আকৃষ্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক বই পত্র প্রদান করা হয়।
 
১৬# মাধ্যমিক বিদ্যালয় রামগতি ও কমলনগর উপজেলার প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি মাদ্রাসার নতুন একাডেমিক ভবন নির্মান কাজ করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২১লক্ষ টাকা ব্যয়ে আইসিটি রিসোর্স সেন্টার নির্মানের কাজ করা হয়েছে। সরকারের অনুসৃত উন্নয়নের ধারাবাহিকতার আলোকে রামগতি ও কমলনগরের মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মান ও উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারনের লক্ষে ২৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম ইতিমধ্যে ডিপিপি ভূক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের অনুসৃত নীতি মোতাবেক উপজেলায় মাধ্যমিক স্তরে একটি করে স্কুল ও মাদ্রাসা সরকারী করনের লক্ষ্যে রামগতি উপজেলায় আলেকজান্ডার পাইলট হাই স্কুল ও কমলনগর উপজেলা হাজির হাট মিল্লাত একাডেমীর নাম মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
১৭# মহাবিদ্যালয় ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ৪কোটি টাকা ব্যয়ে রামগতি আহমদিয়া কলেজে একটি নতুন ভবন নির্মানসহ বিদ্যমান একাডেমিক ভবনের উর্ধ্বমূখী সম্প্রসারন কাজ করা হয়। কমলনগর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় একান্তভাবে নীজ উদ্যোগে সরকারী করনের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে দেন দরবার করার কারনে ইতিমধ্যে হাজির হাট উপকূলীয় কলেজটিকে শিক্ষা মন্ত্রালয় সরকারী ঘোষনা করেন। উভয় উপজেলায় শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে মাননীয় সংসদ সদস্যের একান্ত অনুপ্রেরনায় কমলনগর কলেজ ও তোয়াহা স্মৃতি মহিলা কলেজ নামে ২টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া ফজু মিয়ার হাট উচ্চ বিদ্যালয়টিকে মহাবিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হয়।
 
১৮# কারিগরি শিক্ষা ঃ বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষে প্রাথমিক ভাবে দেশে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ১০০টি কারিগরি স্কুল প্রতিষ্ঠার যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন তার মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলার একমাত্র একটি স্কুল যাহা রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে স্কুলটিকে কলেজে রূপান্তরিত করে প্রায় ২০ কোটি টাকার বিশাল পরিষর নিয়ে ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা করার প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
১৯# বিদ্যুৎ ঃ এলাকার উন্নয়নে বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি করা একান্ত আবশ্যক। বিগত জোট সরকারে (২০০১-০৬) রেখে যাওয়া নজির বিহীন লুট পাট বিদ্যুৎ সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। সে অবস্থা উত্তরনের জন্য কুইক রেন্টাল ও স্থায়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান করে প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এবং দেশ আজ প্রায় বিদ্যুৎ এ স্বয়ংসম্পূর্ন এবং দেশের ৭৮ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের সুফল ভোগ করছে। অথচ জামাত-বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্য জোট সরকারের খামখেয়ালীপনা ও অবহেলার কারনে রামগতি ও কমলনগর বাসী সকল আধুনিক সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত ছিল।
২০১৪সালের ৫ই জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনাব মোঃ আবদুল্লাহ (আল মামুন) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর গত ০৩ বছরে রামগতিও কমলনগরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। আগামী ২ বছরের প্রায় সকল মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আসবে এবং মলনগর উপজেলায় নতুন ০১টি ১০এমভিএ উপকেন্দ্র নির্মান করা হইবে।
 
২০# গভীর নলকূপ ঃ বর্তমান সরকারের অনুসৃত নীতি মোতাবেক সবার জন্য সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার প্রভুত উন্নয়ন সাধনের অংশ হিসেবে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ৬ কোটি ১৩ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭১৬ টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়।
 
২১# স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ঃ -
ক. ওয়াস ব্লক - স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ১৩৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮কোটি ৪১লক্ষ টাকা ব্যয়ে ওয়াশব্লক নির্মান করা হয়।
খ. ওয়াস ব্লকে সোলার প্যানেল স্থাপন- ওয়াস ব্লকগুলোকে ব্যবহার উপযোগী করার লক্ষ্যে উভয় উপজেলার ৯৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়।
গ. রিং স্ল্যাব বিতরন -স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত কল্পে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫৫০ সেট রিং স্ল্যাব বিতরন করা হয়।
 
২২#টি আর ও কাবিখা কর্মসূচী ঃ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সরকারী ভাবে ২০১৩-১৪ অর্থ বছর থেকে শুরু করে ২০১৬-১৭ অর্থ বছর পর্যন্ত প্রাপ্ত চাল, গম ও নগদ অর্থের মাধ্যমে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নসহ মসজিদ, মাদ্রাসা, মক্তব, মন্দির ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ ভরাটসহ ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়্ মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের একান্ত আন্তরিকতা ও ইচ্ছায় টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের আওতায় সরকারী নীতিমালার আলোকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিদ্যুৎ বিহীন প্রতিটি এলাকা সৌর বিদ্যুৎতের মাধ্যমে আলোকিত করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
৩ = ৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সমভাবে উভয় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মন্দিরে বন্টন করা হয়েছে। অপরদিকে উভয় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের উন্নয়নের জন্য ২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রক্রিয়াধীন আছে। এছাড়া উভয় উপজেলার একটি মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মান করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।´২৩# মসজিদ ও মন্দির উন্নয়ন ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ধমীয় প্রতিষ্ঠান গুলোকে প্রয়োজনীয় মেরামত সংস্কার ও পূনর্বাসনের জন্য টি আর কর্মসূচির আওতায় মোট ৩০০টি মসজিদ ও ১২টি মন্দিরকে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছ্ েএবং এ পর্যন্ত সরকার থেকে প্রাপ্ত ২,৪০,০০০
 
২৪# ঐচ্ছিক তহবিল ঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্যদের একান্ত ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রাপ্ত প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা রামগতি ও কমলনগর উপজেলার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে বিতরন করা হবে।
 
২৫# উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ঃ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, মুক্তিযুদ্ধের ধারক বাহক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী একান্ত সদিচ্ছায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মন্তরে প্রত্যেক জেলা উপজেলাসহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় ছড়িয়ে দিতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় “উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স” নির্মানের অংশ হিসেবে রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার এ প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ তলা ভবন ইতিমধ্যে নির্মান করা হয়েছে। কমলনগর উপজেলায় অনুরূপ একটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মানের প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
২৬# মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ী নির্মান প্রকল্প ঃ অসহায় অচ্ছল ও নিঃস্ব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫টি বাসগৃহ নির্মান করা হচ্ছে।
 
২৭# ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মান ঃ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের অনুসৃত নীতি মোতাবেক নতুন আঙ্গিকে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মানের আলোকে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ১.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চর পেড়াগাছা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মান করা হয়েছে। এছাড়া আগামী দু’বছরে আরো ৪-৫টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মান করা হবে।
 
২৮# উপজেলা ভবন নির্মান ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলা ২টির মধ্যে রামগতি উপজেলা ভবনটি পুরাতন হওয়ার কারণে মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ (আল মামুন) একটি আধুনিক নির্মান শৈলীর আদলে উপজেলা ভবন নির্মানের লক্ষ্যে নিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রণালয়ে দেনদরবার করার কারণে খুব শ্রীগ্রহ প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর রামগতি উপজেলা ভবন নির্মান কাজ প্রক্রিয়াধীন।
 
২৯# পৌরভবন নির্মান ঃ রামগতি পৌরসভাটি ২০০০ সলে প্রতিষ্ঠিত হলেও অদ্যাবদি কোন ভবন নির্মিত না হওয়ায় পৌর বাসির সেবা প্রদানে বেশ কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। আর তাই বর্তমান সংসদ সদস্য একটি বহুতল বিশিষ্ট পৌর ভবন নির্মানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছন। বর্তমানে পৌরভবন নির্মানের প্রকল্পটি এলজিইডি’তে প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
৩০# আশ্রয়ন প্রকল্প ঃ মেঘনার প্রবল তান্ডবে ক্ষতবিক্ষত রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদীভাঙ্গা ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই এই সকল ছিন্নমূল ও আশ্রয়হীন মানুষেদের সামান্য আশ্রয়ের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আবদুল্লাহ (আল মামুন) এর চেষ্টায় ৫নং চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নে ২টি প্রকল্প ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নে আরো ১০টি আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দপ্তরে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
৩০# গৃহ নির্মান ঃ গরীবের একমাত্র অবলম্বন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগে সারাদেশে ৫০ হাজার বাস্তুহারাকে আবাসন প্রকল্পের আওতায় আনয়নের লক্ষ্যে সারাদেশের মোট ৮টি পশ্চাৎপদ উপজেলার মধ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলাকে পশ্চাৎপদ উপজেলা প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ফলে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদী ভাঙ্গা বাস্তুহারা দুঃখী জনসাধারনকে আশ্রয় দেওয়ার নিমিত্তে ৫০০০ পরিবারকে গৃহনির্মান প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে ১০০ পরিবারের জন্য গৃহ নির্মান শুরু হয়ে গিয়েছে।
 
৩১# গুচ্ছগ্রাম ঃ পশ্চাৎপদ এলাকার গরীব দুঃখী জনসাধারনের জন্য সরকারে অনুসৃত নীতি মোতাবেক ৩নং চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে ৩০০০ পরিবারের বসবাসের উপযোগী একটি গুচ্ছা গ্রাম প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
 
৩২# ৩০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল নির্মান ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদীভাঙ্গা অসহায় ও গরীব জনসাধারনের সাস্থ্য সেবা নিশ্চিত কল্পে রামগতি উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ৩০ শয্য বিশিষ্ট একটি নতুন হাসপাতাল নির্মানের প্রকল্প বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
৩৩# মুজিব কিল্লা ঃ বর্তমান সরকার সারাদেশে বিদ্যমান “মুজিব কিল্লা” উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রামগতি উপজেলায় প্রথম আগমনের স্থান হিসেবে চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে অবস্থিত মুজিব কিল্লার (শেখের কিল্লা) উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যাহাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানটি ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকে। ৩৪# মিনি স্টেডিয়াম ঃ পড়াশুনার পাশাপাশি এলাকার তরুন যুবকদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে সরকারের অনুসৃত নীতি মোতাবেক উভয় উপজেলায় ১টি করে মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
৩৫# উপকূলীয় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নির্মান ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলা মেঘনা উপকূলবর্তী হওয়ায় এবং মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে ঘূর্নিঝড়, জলোচ্ছাস ও সমুদ্রের/নদীর পানি সমতল বৃদ্ধিসহ নদীতে নিয়মিত জোয়ার ভাটার প্রভাবে এবং প্রচন্ড ঢেউয়ের আঘাতে উপকূলীয় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মাননীয় সংসদ সদস্য পায় ৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় ৫.৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে অন্য একটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
অপর দিকে একই বিষয় বস্তুর আলোকে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদীভাঙ্গা মানুষগুলোর জনসাধারনের জানমাল আবাদি জমিজমা বন্যা জলোচ্ছাস ও লবনাক্ততার কবল হতে রক্ষাকল্পে অবশিষ্ট অংশে উপকূলীয় বাঁধ নির্মানের লক্ষ্যে ২টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
 
৩৬# ভূলূয়াখাল খনন ঃ ভূলুয়া খালটি পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষা কালে বিশাল এলাকা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় ও কৃষকের শতশত একর জমি অনাবাদী অবস্থায় পড়ে থাকে। তাই এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য নিজ উদ্যোগে খালটি খনন করার জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য চেষ্টা করেন। ফলশ্রুতিতে প্রায় ৬ কোটি টাকায় খালটি খনন করার জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এতে করে খালটিকে প্রবাহমান করে দিতে পারলে সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে অধিক ফসল ফলানোর বিশেষ প্রকল্প অনায়াসেই গ্রহন করা যাবে এবং জনগনের সুবিধার্থে দুই পার্শ¦ দিয়ে দুটি রাস্তা নির্মান করা হবে।
 
অপর দিকে ১৯৮৯-৯৯ অর্থ বছরে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ভূলূয়া নদী (বাগগার দোনা নদী) পুন:খনন প্রকল্প নামে যে (বড় আকারের রেগুলেটর নির্মানসহ প্রায় ২৫কি: মি: খাল খনন) প্রকল্পটি চালু হয়ে মাত্র ২৮.৮০% কাজ সমাপ্তির পর প্রকল্প অবশিষ্ট কাজ কোন অজ্ঞাত কারণে অদ্যবদি পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয় নাই। তাই এলাকার সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে উপকূল বাসীর দূর্ভোগ লাঘবের জন্য অসমাপ্ত ভূলূয়া নদী পুনঃ খনন প্রকল্পটি পুনরায় বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় সাংসদ নিজ উদ্যোগে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
 
৩৭# সেচ প্রকল্প ঃ খাদ্য স্বয়ং সম্পূর্নতা অর্জন ও টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য সরকারের অগ্রগন্য নীতির আলোকে মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল্লা আল মামুন অধিক ফসল ফলনের লক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলাকে সেচ প্রকল্পের আওতায় আনার এক মহা পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। যাহা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে।
 
৩৮# দলীয় কর্মকান্ড ঃ- দীর্ঘ ৪২ বছর যাবৎ রামগতি-কমলনগর উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোন নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় উভয় উপজেলায় আওয়ামীলীগের দলীয় অবস্থান ছিল খুবই নাজুক ও নড়বড়ে এবং দল ছিল বহুধা বিভক্ত। নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং আর মতদ্বৈততা নিয়ে সকলেই ব্যস্ত ছিল সর্বক্ষন। ফলে দলীয় কর্মকান্ড ছিল অনেকটা নিষ্ক্রিয়। দলের এ অবস্থার মধ্যে ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন থেকে শুরু করে অদ্যবধি প্রতি মাসে মাননীয় সংসদ সদস্য ৭-১০দিন এলাকায় অবস্থান করে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা ও পর্যবেক্ষন করে আসছেন। ফলশ্রুতিতে অতিতের সকল বিভেদ ও মতদ্বৈততা কে এক করে দলকে সুসংগঠিত করে এবং সকলের মাঝে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থাকার অনুপ্রেরনা যুগিয়ে উচ্ছাসের এক আমেজ সৃষ্টি করতে সক্ষম হন। যার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ১৮টি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি ও ইউনিয়ন কমিটি সম্পন্ন করা হয়। বিশেষ করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আকৃষ্ট হয়ে কমলনগর উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার মহিলা দলে অন্তর্ভূক্ত হয়। বর্তমানে অতীতের যে কোন সময় থেকে দল অনেক বেশী শক্তিশালী ও সংগঠিত। দলের ঐক্যের ফলশ্রুতিতে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১টিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয় লাভ করে। স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিগন বেশির ভাগই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচিত।
 
৩৯# ব্যক্তিগত উদ্যোগ ঃ- সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অনেক পূর্ব থেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাননীয় সংসদ সদস্য রামগতি কমলনগর উপজেলার নদী ভাঙ্গা দরিদ্র অসহায় জনগনের সহযোগীতা প্রদান করে আসছেন। এর মধ্যে নদী ভাঙ্গা মানুষের পূনর্বাসন এর লক্ষ্যে কলোনি নির্মান, গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান, গরীব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাহায্য প্রদান, বস্ত্র বিতরন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও মসজিদ উন্নয়নে নগদ অর্থ প্রদানসহ গরীব ও অসহায় মানুষের পূনর্বাসনের বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছেন।
 
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঃ রামগতি ও কমলনগর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঃ-
 
১ # মেঘনার নদীর ভাঙ্গন থেকে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার অবশিষ্ট এলাকাকে রক্ষাকল্পে প্রায় ১৩ কি: মি: নদী সংরক্ষন বাঁধ নির্মানের লক্ষ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প ডিপিপি ভূক্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রকল্পটি ডিপিপি ভূক্ত করে পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে একনেক বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য মাননীয় সাংসদ জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপর দিকে একই বিষয়ের আলোকে ডেল্টা-২১০০ প্রকল্প নামে ৫৫০ কোটি টাকার অন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন
২# যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার ৫০-৬০টি সড়ক উন্নয়নের আওতার আনার লক্ষ্যে ডিপিপি ভূক্ত করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে ৪০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে। যাহা প্রক্রিয়াধীন আছে।
৩# “শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এ শ্লোগান কে সামনে রেখে সকল জনগনের জন্য নির্ভর যোগ্য মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করনে মাননীয় সাংসদ মোঃ আবদুল্লাহ (আল মামুন) সরকারের অনুসৃত ২০২১ সালে মধ্যে সকলের জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা প্রকল্পের আলোকে রামগতি ও কমলনগর উপজেলাকে শতভাগ বিদ্য
Avatar

Written By : Mohd. Abdullah -মোঃ আবদুল্লাহ

Public

জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের মাঝে সেতুবন্ধন স্থাপনকারী ওয়েবসাইট ‘আমার এমপি ডট কম’র মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সকল সংসদ সদস্যদের কাছে তাঁদের বিগত বছরগুলোতে করা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে। একই সাথে জানতে চাওয়া হচ্ছে আগামী দুই বছরে তাঁদের পরিকল্পনা সম্পর্কেও। এর জবাবে লক্ষীপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ জানালেন তাঁর করা উন্নয়নমূলক কাজের কথা। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো -নদী ভাঙ্গন রোধে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে রামগতি ও কমলনগর বাসীর ভিটেমাটি রক্ষা করা, নদী সংরক্ষন বাঁধ নির্মাণ, পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ, বহুমূখী ঘূর্নীঝড় আশ্রয়ন কেন্দ্র স্থাপন, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন, পুলিশ ক্যাম্প,স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা স্থাপন, গভীর নলকূপ, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ী নির্মান প্রকল্প, ইউনিয়ন পরিষদ উপজেলা ভবন পৌরভবন নির্মান, হাসপাতাল নির্মান সহ নানারকম উন্নয়ন প্রকল্প।


আমার এমপি ডট কম কর্তৃপক্ষের করা দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে আগামী দুই বছরের পরিকল্পনার কথাও জানালেন এমপি মোঃ আব্দুল্লাহ। এগুলো হলো, নদী সংরক্ষন বাঁধ নির্মান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া ইত্যাদি।

এমপি মোঃ আব্দুল্লাহর কাছ থেকে উত্তর সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করেছেন আমার এমপি ডট কমের এম্বাসেডর মোঃ samawat উল্লাহ।